জন্মের পর থেকে জ্বর হয়নি এরকম মানুষ হয়তো খুব কমই আছে।

বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে প্রতিনিয়ত অসংখ্য জীবাণুর মুখোমুখি হতে হয় আমাদের। যা রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ। আর জ্বর হলো অধিকাংশ রোগের প্রধান সিম্পটম বা উপসর্গ।

আজকে আমরা জানবো কেন জ্বর আসে। আর এর উপকারিতা ও অপকারিতা কি। যখন শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায় তখন তাকে আমরা জ্বর বলি। আপনি যেভাবে রিমোট কন্ট্রোলার দিয়ে এসির টেম্পারেচার ২০° সেট করার একটু পরেই পুরো রুমের টেম্পারেচার ২০° হয়ে যায় একই রকম ভাবে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হাইপোথেলামাস। এই হাইপোথেলামাস এর মাধ্যমে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য এমন একটি সেন্টার আছে যা শরীরের জন্য সর্বোচ্চ উপযোগী একটা তাপমাত্রা সেট করে দেয়। আর সে অনুযায়ী পুরো শরীরের তাপমাত্রাও রিসেট করা টেম্পারেচার অনুযায়ী হয়।

অবস্থাভেদে আমাদের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা হয় 96 থেকে 98.5 ফারেনহাইট। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কখন হাইপোথেলামাস শরীরের টেম্পারেচার বাড়িয়ে দেয়। এটা বুঝতে হলে আমাদের পরিচিত হতে হবে আমাদের শরীরের অত্যন্ত চমৎকার একটা সেল এর সাথে যার নাম WBC । প্রতি পাঁচ লিটার রক্তে প্রায় দুই হাজার কোটি WBC প্রতিনিয়ত পুরো শরীরকে টহল দিচ্ছে একদম আমাদের দেশের টহল পুলিশের মতোই। টহল পুলিশ যেরকম ভাবে টহল দিয়ে অপরাধী খুঁজে বেড়ায় ঠিক এরকম ভাবে আমাদের শরীরে এই বিশাল পরিমাণ WBC প্রতিনিধিদের মাধ্যমে খুঁজতে থাকে আমাদের শরীরে কোন শত্রুর প্রবেশ ঘটেছে কিনা। যখনই কোন ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করে তখনই WBC তাকে প্রথম শনাক্ত করে।

কিন্তু ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া কি কোন বস্তু যে সহজে ধরা দিবে! এই ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া এবং WBC এর মধ্যে তখন শুরু হয় সম্মুখ সমর যুদ্ধ। এই যুদ্ধে প্রত্যেকেই তাদের নিজ নিজ অস্ত্র এবং গোলাবারুদ ব্যবহার করে থাকে। WBC গুলি হিসেবে ছেড়ে দেয় কিছু বিষাক্ত কেমিক্যাল যাতে তা ঐ ব্যাক্টেরিয়াকে মেরে ফেলতে পারে। বেশিরভাগ সময় এই যুদ্ধের পুরোটাই হয় রক্তের মধ্যে। তখন রক্তের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া ওই ক্যামিকেল গুলো ভাসতে-ভাসতে যখন ব্রেইনের হাইপোথেলামাস এ পৌছায় তখনই হাইপোথেলামাস বুঝতে পারে যে শরীরের কোন জায়গায় WBC যুদ্ধ করছে কোন ইন্ট্রুডার(শত্রু) এর সাথে। যেই বুঝা সেই কাজ। তখনই হাইপোথেলামাস শরীরের টেম্পারেচার নরমাল থেকে বেশি সেট করে দেয় যা ব্যাকটেরিয়া বাঁচার জন্য প্রতিকূল হয়।

সাধারণ BCS Exam Guideline এ কেন কমন পড়ে না? বিসিএস অনেক এর জন্য ই কাংখিত একটা পেশা।সবাই বিসিএস ক্যাডার হতে
শরীরে শক্তির অভাব, দুর্বলভাব, কাজের প্রতি অনিহা বিসিএস, সরকারি চাকরী, বেসরকারি চাকরী অথবা যে কোন একাডেমিক পরীক্ষার সময় নিজেকে অনেক
আপেলের গল্প ছাড়া নিউটন সম্পর্কে আর কি জানেন ? সর্বশ্রেষ্ঠ কয়েকজন বিজ্ঞানীর নাম বলতে বলা হলে অনেকে যদিও অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের
বাংলাদেশের ইতিহাস হিন্দু পৌরানিক গ্রন্থ,মহাভারত,মৎস পুরাণ,বৈদিক শাস্ত্রবেধে অংগ বংগ এবং  মগধ রাজ্যের উল্লেখ  পাওয়া যায়। প্রাচীন  ভারতের মগধ রাজ্যই  বর্তমানে
Consumer Behavior | Case study in Bangla লিখেছেনঃ অনিরুদ্ধ দে প্রোডাক্ট, প্রাইস প্রফিট, পজিশনিং এর আগে Consumer Behavior নির্বাচন করুন।
সফল হওয়ার জন্য নিয়ম মানার বিকল্প নেই                           
jonmer por theke jor hoyni erkm manush hoyto khb kom ee ache ..bishesh kore amdr moto unnoyonshil deshe proti nioto

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *